বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এর ধারা ১৯ (২০২৬ সংশোধনীসহ) অনুযায়ী চাকরিরত অবস্থায় শ্রমিকের মৃত্যু হলে মনোনীত ব্যক্তি বা পোষ্যের জন্য প্রাপ্য Death Benefit হিসাব করুন।

ক্যালকুলেটরের পরিধি: এটি ধারা ১৯-এর মৃত্যুজনিত সুবিধা এবং প্রযোজ্য গ্রাচ্যুইটির মধ্যে বেশি অঙ্কটি হিসাব করে। কর্মক্ষেত্রের দুর্ঘটনায় দ্বাদশ অধ্যায়/পঞ্চম তফসিলের ক্ষতিপূরণ, কেন্দ্রীয় তহবিল, গ্রুপ বীমা, PF, বকেয়া মজুরি ও ছুটির টাকা আলাদা পাওনা হতে পারে এখানে যোগ করা হয়নি।

কারা সুবিধা পাবেন?

শ্রমিকের কমপক্ষে ১ বছর অবিচ্ছিন্ন চাকরি পূর্ণ হতে হবে। অর্থ মনোনীত ব্যক্তি বা তার অবর্তমানে পোষ্যকে দেওয়া হয়।

আইনি হার

সাধারণ মৃত্যুতে প্রতি গণ্য বছরে ৩০ দিনের মজুরি; প্রতিষ্ঠানে কর্মরত অবস্থায় বা কর্মকালীন দুর্ঘটনার কারণে পরবর্তী মৃত্যুতে ৪৫ দিনের মজুরি।

মাস ০ থেকে ১১-এর মধ্যে দিন। ৬ মাসের বেশি ভগ্নাংশ হিসাবের জন্য আরও ১ পূর্ণ বছর ধরা হবে।
ধারা ১৪(৩) অনুযায়ী এই তিনটি মজুরি-উপাদান ব্যবহৃত হয়; gross salary, overtime ও bonus লিখবেন না।
ধারা ১৯-এ “গ্রাচ্যুইটি, যদি প্রদেয় হয়—যাহা অধিক” বলা হয়েছে। নিশ্চিত না হলে “না/নিশ্চিত নই” রাখুন এবং HR নীতি যাচাই করুন।

মৃত্যুজনিত সুবিধা হিসাবের ফলাফল

ধারা ১৯ অনুযায়ী প্রাপ্য
০ টাকা

হিসাবের বিস্তারিত

আইনে বিবেচ্য মাসিক মজুরি০ টাকা
হিসাবযোগ্য চাকরির বছর০ বছর
ধারা ১৯-এর প্রতি বছরের হার০ দিন
ধারা ১৯-এর মূল মৃত্যুজনিত সুবিধা০ টাকা
গ্রাচ্যুইটি—যদি প্রদেয় হয়প্রযোজ্য নয়
সুবিধা = দৈনিক মজুরি × প্রতি বছরের দিন × হিসাবযোগ্য বছর
গুরুত্বপূর্ণ: এটি কেবল ধারা ১৯-এর Death Benefit/প্রযোজ্য gratuity comparison। কর্মক্ষেত্রের দুর্ঘটনায় আলাদা ক্ষতিপূরণ দাবি ও শ্রম আদালতে জমা/বণ্টনের বিধান থাকতে পারে। একই দাবিকে ভুলভাবে দুইবার যোগ করবেন না; নথি দেখে বিশেষজ্ঞের সহায়তা নিন।

মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরণ কত টাকা এবং কীভাবে হিসাব হয়?

বাংলাদেশ শ্রম আইন অনুযায়ী কমপক্ষে ১ বছর অবিচ্ছিন্ন চাকরি পূর্ণ করা শ্রমিক চাকরিরত অবস্থায় মারা গেলে ধারা ১৯ প্রযোজ্য হতে পারে। সাধারণ মৃত্যুর ক্ষেত্রে প্রতি হিসাবযোগ্য চাকরিবর্ষে ৩০ দিনের মজুরি এবং প্রতিষ্ঠানে কর্মরত অবস্থায় বা কর্মকালীন দুর্ঘটনার কারণে পরবর্তীতে মৃত্যু হলে প্রতি বছরে ৪৫ দিনের মজুরি ধরা হয়। ছয় মাসের বেশি চাকরির ভগ্নাংশকে একটি পূর্ণ বছর হিসেবে গণনা করা হয়।

মৃত্যুজনিত সুবিধার মজুরি কোনটি?

২০২৬ সংশোধনীর পরে ধারা ১৪(৩) অনুযায়ী ধারা ১৯-এর হিসাবের মজুরি হলো শ্রমিকের মৃত্যুর পূর্ববর্তী সর্বশেষ মাসিক মূল মজুরি, মহার্ঘ ভাতা এবং অ্যাডহক বা অন্তর্বর্তী মজুরি—যদি থাকে। তাই gross salary, বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ভাতা, overtime বা bonus সরাসরি এই ঘরে যোগ করা ঠিক নয়।

মৃত্যুজনিত সুবিধা ছাড়াও কী পাওনা থাকতে পারে?

চূড়ান্ত পাওনায় বকেয়া বেতন-ভাতা, অব্যবহৃত অর্জিত ছুটির অর্থ, ভবিষ্য তহবিল, গ্রুপ বীমা বা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব সুবিধা থাকতে পারে। কর্মক্ষেত্রের দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু হলে শ্রম আইনের দ্বাদশ অধ্যায় ও পঞ্চম তফসিল অনুযায়ী আলাদা ক্ষতিপূরণ প্রক্রিয়াও প্রযোজ্য হতে পারে। এই calculator শুধু ধারা ১৯-এর অংশটি দেখায়।

মৃত্যুজনিত সুবিধা—সাধারণ প্রশ্ন

মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরণ কে পাবেন?

ধারা ১৯ অনুযায়ী মৃত শ্রমিকের মনোনীত ব্যক্তি; মনোনীত ব্যক্তি না থাকলে পোষ্য সুবিধা পাবেন। সঠিক nomination ও dependent record যাচাই করা প্রয়োজন।

১ বছরের কম চাকরি হলে ধারা ১৯-এর সুবিধা পাওয়া যাবে?

২০২৬ সংশোধনী অনুযায়ী ন্যূনতম ১ বছর অবিচ্ছিন্ন চাকরি প্রয়োজন। ১ বছরের কম হলে এই নির্দিষ্ট ধারার হিসাব প্রযোজ্য হবে না; তবে অন্য পাওনা বা ক্ষতিপূরণ থাকতে পারে।

কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু হলে কি শুধু ৪৫ দিনের হিসাব পাওয়া যাবে?

না। ধারা ১৯-এর ৪৫ দিনের হিসাব ছাড়াও দ্বাদশ অধ্যায়ের দুর্ঘটনাজনিত ক্ষতিপূরণ, কেন্দ্রীয় তহবিল বা বীমা প্রযোজ্য হতে পারে। সেগুলো আলাদা আইনগত ভিত্তি ও দাবি প্রক্রিয়ার বিষয়।

শ্রম অধিকার (Shrom Odhikar)

www.shromodhikar.com

মৃত্যুজনিত সুবিধা (Death Benefit) হিসাব রিপোর্ট

প্রদত্ত তথ্য

    হিসাবের ফলাফল

    আইনি ভিত্তি: বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এর ধারা ১৯, ধারা ১৪(৩) ও ধারা ২(১০); বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০২৬।

    ডিসক্লেইমার: এই প্রতিবেদনটি “শ্রম অধিকার” প্ল্যাটফর্ম থেকে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রস্তুত করা একটি আনুমানিক হিসাব বিবরণী মাত্র। এটি কোনো চূড়ান্ত আইনি দলিল, সরকারি নথি বা পেশাদার আইনি পরামর্শ নয়। কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বিরোধ, চূড়ান্ত পেমেন্ট, আর্থিক দাবি বা আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের আগে সংশ্লিষ্ট আইন, গেজেট, অফিসিয়াল নোটিশ, নিজ প্রতিষ্ঠানের HR/Payroll Policy এবং প্রয়োজনে যোগ্য আইনজীবী বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে যাচাই করে নেওয়ার অনুরোধ করা হলো।