বাংলাদেশ শ্রম আইন অনুযায়ী পদত্যাগ, মালিক কর্তৃক চাকরির অবসান, স্বাস্থ্যগত ডিসচার্জ বা অবসরের ক্ষেত্রে শ্রমিকের সার্ভিস বেনিফিট (Service Benefit), ক্ষতিপূরণ এবং প্রযোজ্য নোটিশ পে হিসাব করুন। এটি চাকরি ছাড়ার টাকা বা চাকরি শেষে পাওনার একটি আনুমানিক হিসাব।

যে তথ্যগুলো লাগবে

  • চাকরি শেষ হওয়ার ধরন
  • সম্পূর্ণ চাকরিবর্ষ ও অতিরিক্ত মাস
  • সর্বশেষ মাসিক মূল মজুরি
  • ডিএ, এডহক ও প্রযোজ্য গ্র্যাচুইটি
অটোমেটিক হিসাব বন্ধ:
বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (২০২৬ সালের সংশোধনীসহ)-এর ধারা ২৩–২৪ অনুযায়ী বরখাস্ত বা অপসারণের ফল অভিযোগ, তদন্ত, শাস্তির ধরন ও অসদাচরণের ভিত্তির ওপর নির্ভর করে। তাই এই ক্ষেত্রে নথি দেখে মানবিক আইনি যাচাই ছাড়া ফল দেখানো নিরাপদ নয়।

হিসাবের ফলাফল

আনুমানিক সার্ভিস বেনিফিট
০ টাকা
নিকটতম টাকায় রাউন্ড করা হয়েছে
হিসাবের বিবরণ
চাকরি শেষ হওয়ার ধরন ও আইনি সূত্র-
প্রকৃত চাকরির মেয়াদ-
হিসাবযোগ্য সম্পূর্ণ চাকরিবর্ষ০ বছর
হিসাবযোগ্য মাসিক মজুরি
মূল মজুরি + ডিএ + এডহক
০ টাকা
দৈনিক মজুরি
মাসিক হিসাবযোগ্য মজুরি ÷ ৩০
০ টাকা
আইনি ক্ষতিপূরণের হার-
সূত্রে পাওয়া ক্ষতিপূরণ০ টাকা
সতর্কতা: এটি শুধু আনুমানিক ডিজিটাল হিসাব। বকেয়া মজুরি, অর্জিত ছুটি, প্রভিডেন্ট ফান্ড, বোনাস, কর, ঋণ বা অন্য পাওনা/কর্তন এতে যোগ হয়নি। নোটিশের আংশিক পালন, চাকরির শ্রেণি, প্রতিষ্ঠানের গ্র্যাচুইটি নীতি ও নথি চূড়ান্ত ফল বদলাতে পারে।

সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

সার্ভিস বেনিফিট কী?

চাকরি শেষ হওয়ার নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শ্রম আইন অনুযায়ী শ্রমিক যে ক্ষতিপূরণ বা আর্থিক সুবিধা পান, সেটিকে সাধারণভাবে সার্ভিস বেনিফিট বলা হয়।

পদত্যাগ করলে কত দিনের মজুরি পাওয়া যায়?

বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (২০২৬ সালের সংশোধনীসহ)-এর ধারা ২৭(৪) অনুযায়ী পূর্ণ চাকরিবর্ষের সংখ্যা অনুসারে ৭, ১৫ বা ৩০ দিনের মজুরির হার প্রযোজ্য হয়।

চাকরির অবসান বা ডিসচার্জে হার কত?

বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (২০২৬ সালের সংশোধনীসহ)-এর ধারা ২৬(৪) ও ধারা ২২(২) অনুযায়ী সাধারণত প্রতি সম্পূর্ণ চাকরিবর্ষে ৩০ দিনের মজুরি অথবা প্রযোজ্য গ্র্যাচুইটির মধ্যে বেশি অঙ্ক বিবেচিত হয়।