বাংলাদেশ শ্রম আইন অনুযায়ী এই ওভারটাইম ক্যালকুলেটর দিয়ে মাসিক মূল মজুরি, প্রযোজ্য ভাতা ও অনুমোদিত OT ঘণ্টা থেকে প্রতি ঘণ্টার ওভারটাইম হার এবং মোট ওভারটাইম ভাতা হিসাব করুন। ওভারটাইম হিসাব কে সংক্ষেপে ওটি হিসাব বলা হয়।

কার জন্য প্রযোজ্য

  • বাংলাদেশ শ্রম আইনের আওতাভুক্ত মাসিক মজুরিভিত্তিক শ্রমিকের জন্য।
  • যারা নির্ধারিত দৈনিক বা সাপ্তাহিক কর্মঘণ্টার অতিরিক্ত কাজ করেছেন।
  • ঠিকা-হার বা পিস-রেটের শ্রমিকের জন্য এই মাসিক মজুরির ক্যালকুলেটর প্রযোজ্য নয়।

যে তথ্যগুলো লাগবে

  • মাসিক মূল মজুরি (Basic Wage)
  • মহার্ঘ ভাতা এবং এডহক বা অন্তর্বর্তী মজুরি (যদি থাকে)
  • অনুমোদিত রেকর্ড অনুযায়ী মোট ওভারটাইম ঘণ্টা
আপনার প্রতিষ্ঠানে ডিএ না থাকলে ফাঁকা রাখুন বা ০ দিন।
ওভারটাইমের সাধারণ মজুরিতে মূল মজুরির সঙ্গে ডিএ এবং এডহক বা অন্তর্বর্তী মজুরি যুক্ত হয়।
হাজিরা, অনুমোদিত OT sheet বা রেজিস্টার অনুযায়ী মোট ঘণ্টা লিখুন।

হিসাবের ফলাফল

সর্বমোট ওভারটাইম পাওনা
০ টাকা
(হিসাব দুই দশমিক স্থান পর্যন্ত দেখানো হয়েছে)
হিসাবের বিবরণ (Breakdown):
মাসিক সাধারণ মজুরি (Basic + DA + Adhoc/Interim) ০ টাকা
ওভারটাইম ঘণ্টা ০ ঘণ্টা
ওভারটাইমের প্রতি ঘণ্টার হার ০ টাকা
হিসাবের আইনি সূত্র:
মাসিক সাধারণ মজুরি = মূল মজুরি + মহার্ঘ ভাতা + এডহক বা অন্তর্বর্তী মজুরি (যদি থাকে)
ঘণ্টাপ্রতি সাধারণ হার = মাসিক সাধারণ মজুরি ÷ ২০৮
ঘণ্টাপ্রতি ওভারটাইম হার = ঘণ্টাপ্রতি সাধারণ হার × ২
মোট ওভারটাইম ভাতা = ঘণ্টাপ্রতি ওভারটাইম হার × ওভারটাইম ঘণ্টা
সতর্কতা: এই হিসাবটি মাসিক মজুরিভিত্তিক শ্রমিকের আনুমানিক হিসাব। ঠিকা-হার বা পিস-রেটের শ্রমিক, ভিন্ন বৈধ মজুরি-চুক্তি বা বিশেষ অব্যাহতির ক্ষেত্রে আলাদা হিসাব প্রযোজ্য হতে পারে। চূড়ান্ত দাবি বা বিরোধের আগে আইন, গেজেট, নিয়োগপত্র, পে-স্লিপ, হাজিরা ও OT রেজিস্টার এবং প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা যোগ্য আইনজীবীর সঙ্গে যাচাই করুন।
এই তথ্য আপনার ব্রাউজারেই হিসাব হয়; আমরা ইনপুট সংরক্ষণ করি না। কোনো ভুল দেখলে জানান