বাংলাদেশ EPZ শ্রম আইন, ২০১৯-এর ধারা ৬৭ অনুযায়ী মাসিক Basic Salary ও অনুমোদিত অতিরিক্ত কাজের ঘণ্টা দিয়ে ওভারটাইম ভাতার হিসাব করুন।
ওভারটাইম কখন?
স্বাভাবিক দৈনিক বা সাপ্তাহিক কর্মঘণ্টার বাইরে অনুমোদিত অতিরিক্ত কাজ করলে OT হিসাব প্রযোজ্য হয়।
হিসাবের সূত্র
ঘণ্টাপ্রতি সাধারণ হার = Basic ÷ ২০৮; ঘণ্টাপ্রতি OT হার = সাধারণ হার × ২।
ওভারটাইম হিসাবের ফলাফল
হিসাবের বিস্তারিত
| মাস ও বছর | - |
|---|---|
| মাসিক Basic Salary | ০ টাকা |
| OT ঘণ্টা | ০ ঘণ্টা |
| ঘণ্টাপ্রতি সাধারণ হার | ০ টাকা |
| ঘণ্টাপ্রতি OT হার | ০ টাকা |
ইপিজেড ওভারটাইম হিসাব করার নিয়ম
ইপিজেডে ওভারটাইম হিসাবের সবচেয়ে বেশি খোঁজা বিষয় হলো: Basic Salary থেকে ঘণ্টাপ্রতি হার বের করা, OT rate কত হবে, এবং মাসে মোট কত টাকা পাওয়া যাবে। এই ক্যালকুলেটর সেই হিসাবকে সহজ করে: মাসিক বেসিক স্যালারি ২০৮ দিয়ে ভাগ করে ঘণ্টাপ্রতি সাধারণ হার বের করা হয়, এরপর সেটির দ্বিগুণ হারকে মোট ওভারটাইম ঘণ্টার সঙ্গে গুণ করা হয়।
কোন অঙ্ক লিখবেন?
Basic Salary ঘরে শুধু মাসিক মূল বেতন লিখবেন। Gross salary বা বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ভাতা, হাজিরা বোনাস, নাইট বিল, উৎসব বোনাস, incentive বা অন্য সুবিধা এই সূত্রে যোগ করলে ফলাফল বেশি দেখাতে পারে। OT Hours ঘরে মাসের অনুমোদিত মোট ওভারটাইম ঘণ্টা লিখতে হবে।
FAQ
ইপিজেড ওভারটাইম ক্যালকুলেটর কীভাবে কাজ করে?
মাসিক Basic Salary ÷ ২০৮ করে ঘণ্টাপ্রতি সাধারণ হার বের করে। এরপর সেই হার × ২ × মোট OT ঘণ্টা করে ওভারটাইম ভাতার আনুমানিক অঙ্ক দেখায়।
ইংরেজি অঙ্ক লিখলে কি বাংলা অঙ্ক দেখাবে?
হ্যাঁ। Basic Salary এবং OT Hours ঘরে ইংরেজি বা বাংলা যেভাবেই অঙ্ক লিখুন, input-এ সবসময় বাংলা অঙ্ক দেখা যাবে।
গ্রস স্যালারি দিয়ে হিসাব করলে হবে?
না। এই calculator মাসিক Basic Salary ধরে হিসাব করে। গ্রস স্যালারি দিলে ফলাফল ভুল বা বেশি হতে পারে।
OT ঘণ্টা দশমিক দেওয়া যাবে?
হ্যাঁ। যেমন ৪৫.৫ ঘণ্টা দিলে দশমিকসহ হিসাব হবে এবং ফলাফলে বাংলা অঙ্কে দেখা যাবে।
শ্রম অধিকার (Shrom Odhikar)
ইপিজেড ওভারটাইম হিসাব রিপোর্ট
প্রদত্ত তথ্য
হিসাবের ফলাফল
ডিসক্লেইমার: এই প্রতিবেদনটি “শ্রম অধিকার” প্ল্যাটফর্ম থেকে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রস্তুত করা একটি আনুমানিক হিসাব বিবরণী মাত্র। এটি কোনো চূড়ান্ত আইনি দলিল, সরকারি নথি বা পেশাদার আইনি পরামর্শ নয়। কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বিরোধ, চূড়ান্ত পেমেন্ট, আর্থিক দাবি বা আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের আগে সংশ্লিষ্ট আইন, গেজেট, অফিসিয়াল নোটিশ, নিজ প্রতিষ্ঠানের HR/Payroll Policy এবং প্রয়োজনে যোগ্য আইনজীবী বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে যাচাই করে নেওয়ার অনুরোধ করা হলো।